Composite Gas Cylinder : বাজারে আসছে নতুন গ্যাস সিলিন্ডার, আবার বাড়লো খরচ

Composite Gas Cylinder: হঠাৎ করে গ্যাস সিলিন্ডারে দাম ৮০০ টাকা বেড়ে যাওয়ায় মধ্যবিত্ত মানুষের মাথায় যেন বাজ পড়ে গেল। কিন্তু এখানে আসল ঘটনা একটু অন্যরকম, তবে প্রত্যেক গ্যাস সিলিন্ডারে জন্য অতিরিক্ত ৮০০ টাকা করে দিতে হবে। তাই দেশের গরিব মানুষদের মধ্যে কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। কিন্তু কি কারনে এত টাকা দিতে হবে এবং এত টাকাই বা আসবে কোথা থেকে? তারা ভেবে উঠতে পারছেন না।

আসল ব্যাপার হল গ্যাস সিলিন্ডারের জন্য যে ৮০০ টাকা করে দিতে হবে তার একটি অন্য কারণ আছে। বহু বছর ধরে আমরা লোহার গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করে আসছি, কিন্তু এবার একটু বদল ঘটিয়ে বাজারে আসতে চলেছে হালকা ফাইবারের কম্পোজিট গ্যাস সিলিন্ডার। আর এই কারণেই সকল মানুষকে ৮০০ টাকা করে সিলিন্ডারের জন্য ডিপোজিট করতে হবে।

কেন্দ্র সরকারের নতুন নিয়ম সিম কার্ড গ্রাহকদের জন্য, না মানলে জরিমানা ও জেল

বাজারে যে নতুন কম্পোজিট এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার আসতে চলেছে তার জন্য ৩০০০ টাকা ডিপোজিট ফি লাগবে। যেহেতু আমাদের কাছে লোহার গ্যাস সিলিন্ডার আছে তার জন্য ২২০০ টাকা ডিপোজিট ফি বাদ যাবে, আর ৮০০ টাকা জমা করলেই চলবে। তবে আপনাকে আপনার বাড়িতে থাকা পুরোনো লোহার গ্যাস সিলিন্ডারটি নিকটবর্তী ডিলারের কাছে অবশ্যই জমা করতে হবে। যেসব ব্যক্তিদের কাছে এলপিজি গ্যাস কানেকশন নেই তারা যদি নতুন করে এখন গ্যাস কানেকশন নিতে চান তাহলে তাদেরকে কম্পোজিট গ্যাস সিলিন্ডারের জন্য ৩০০০ টাকা জমা করতে হবে।

এই কম্পোজিট গ্যাস সিলিন্ডারের কি কি সুবিধা রয়েছে ?

  • বাড়িতে রান্না করার জন্য যেসব গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয় তা মূলত লোহার তৈরি। এই লোহার গ্যাস সিলিন্ডারের সবথেকে বড় অসুবিধা হলো কতখানি গ্যাস আছে বা কতটা গ্যাস শেষ হয়েছে সেটা জানা খুবই কষ্টকর বিষয়। কিন্তু এখন কম্পোজিট গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করলে যে কোনো মানুষ সহজেই বাইরে থেকে বুঝতে পারবেন সিলিন্ডারটিতে কতখানি গ্যাস রয়েছে।
  • দ্বিতীয় অসুবিধা হল লোহার তৈরি গ্যাস সিলিন্ডার খুবই ভারী যা সহজে বাড়ির মহিলারা এদিক ওদিক করতে পারেন না। তবে কম্পোজিট গ্যাস সিলিন্ডার (Composite Gas Cylinder)প্লাস্টিক জাতীয় একটি বিশেষ ফাইবার দিয়ে তৈরি তাই এর ওজন অনেক কম, যার কারণে যেকোনো মানুষ সহজেই সিলিন্ডারটি এক জায়গা থেকে অন্য জায়গা নিয়ে যেতে পারবে।
  • বিশেষজ্ঞদের মতে লোহার তৈরি গ্যাস সিলিন্ডার কোনো কারণে ফেটে গেলে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়। তবে কম্পোজিট গ্যাস সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা খানিকটা কম হবে। যার কারণে প্রাণহানির মত বড় ঘটনা এড়ানো যাবে।
  • লোহার তৈরি গ্যাস সিলিন্ডারের আরেকটি বিশেষ অসুবিধা হলো এতে মরচে পড়ে এবং মেঝেতে দাগ হয় যা তুলতে অনেক কষ্টকর। কিন্তু সেখানে বিকল্প হিসেবে কম্পোজিট গ্যাস সিলিন্ডারে এই ধরনের ঘটনা হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম।

I'm Suhana Khan, I'am a professional blogger and a teacher. I am happy to share new information and it's proud for me. I have 3 years experience of blogging.

Leave a Comment